নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন

All posts by adminredoy

logo
নোটিশ

বিষয়: জরুরি মিটিং সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি।

জনাব/জনাবা,
সবিনয় নিবেদন এই যে, নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন এর উদ্যোগে আগামীকাল, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, সকাল ১১:০০ ঘটিকায় নিজ কার্যালয়ে একটি জরুরি মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত মিটিংয়ে সংগঠনের সকল দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বিধায় সকলের উপস্থিতি একান্ত কাম্য।

ধন্যবাদান্তে,
এস. এম. হৃদয় ইসলাম চুন্নু
চেয়ারম্যান
নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন

sdfghjk
নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের আত্মপ্রকাশ

নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ ও দূষণমুক্ত পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন নামে একটি অরাজনৈতিক, মানবিক ও নাগরিকভিত্তিক সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ। ৭ ফেব্রুয়ারি ২৬ ইং ঘোষণার মাধ্যমে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনের সূচনা করেন।

নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন এর চেয়ারম্যান হলেন, এস এম হৃদয় ইসলাম চুন্নু। একটি রাষ্ট্রে প্রতিটি মানুষের নিরাপদ চিকিৎসা গ্রহণ এবং সুস্থ ও দূষণমুক্ত পরিবেশে বসবাস করা মৌলিক নাগরিক অধিকার।

কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ভেজাল ওষুধ, ভুল চিকিৎসা, চিকিৎসা খাতের লাগামহীন বাণিজ্যীকরণ এবং ক্রমবর্ধমান পরিবেশ দূষণ সাধারণ মানুষের সেই অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে। এর ফলে মানুষ প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকি, আর্থিক ক্ষতি এবং জীবনহানির আশঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। চিকিৎসা কখনোই পণ্য হতে পারে না—এটি একটি মানবিক সেবা।

একইভাবে পরিবেশ কোনো বিলাসিতা নয়, বরং নাগরিক জীবনের অপরিহার্য অধিকার। এই নৈতিক ও সামাজিক সংকট মোকাবিলায় সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ করতেই “নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন” গড়ে তোলা হয়েছে।

সংগঠনের ঘোষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে— নিরাপদ, নৈতিক ও মানবিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা;
ভেজাল ওষুধ, অনিয়ম ও বাণিজ্যিক চিকিৎসার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা,পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ রোগী ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনা।

সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক দপ্তরসমূহের প্রতি আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার হওয়ার অনুরোধ জানান।

সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ও বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিও জানানো হয়।

ঘোষণায় স্পষ্ট করে বলা হয়, এই আন্দোলন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, মানবিক ও নাগরিকভিত্তিক থাকবে। সংগঠনটি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াবে, ন্যায্য দাবির পক্ষে সোচ্চার থাকবে এবং সমাজে ন্যায়পরায়ণতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।